Bangladesh internet Club
Bangladesh Internet Club
***Well Come to all Friends Bangladesh Internet Club***
বুধবার, ১০ জুলাই, ২০১৯
শুক্রবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৩
how to create a blog post in blogger
After create new blogger blog then you can ready
for publishing but you are not know how to create a new blog post and
know any about options of blogger, so this article is help to you step
by step. Blogger is very simple to use for any new blogger. You can
befor read how can you create a new blogger blog and then you are ready
for blog posting after read this article.First you go in blogger.com and you can see this step
Click on your Blog title and you go on your blog Dashboard.
Now see above options:
New Post: You can create a new blog post.
Overview: See above image on overview screen.
Pages: You can create a new page or edit page setting and contents.
Comments: You can see all comments on your blog and moderate waiting comments. You can stop publish all comments without your permission.
Google+: You can attach your blog with google id and automatic share your new publish post on your google+ id.
Stats: You can see your blog status on worldwide with full information.
Earning: You can add your blog with google Adsense and earn money with your blog.
Layout: You can cgane your blog layout with this option.
Template: You can change your blog design/template setting or add new blog template.
Setting: You can change all blog settings as basic setting, search engine setting and more
Now Click on New post and create a new blog post (ee below Image)
Learn options with number wise
1- Write your blog post title
2- Publish after create new post
3- Save your post (automatic saving feature)
4- See your blog post preview before posting
5- You can cancel post option and back on overview screen.
6- You see your blog post on compose mode
7- You can see your blog post on HTML code
8- You can use Redo and Undo option as M.S. W. Word. Notepad, word pad etc
9- You can change font and font size.
10-Change your text in heading or normal text. as M.S. W. Word
11-You can use Bold, Italic, Underline, strikethrough options as as M.S. W. Word
12-You can change text color and text backgroung color as M.S. W. Word
13-You can add Links, Images, Videos on your post and break post
14-You
can set alignment of text (as left, center, right) Bullets and
numbering, tabs, check spellings and translate your text in some
languages
15-You can set Lable for your blog posts
16-You can set schedule of your blog post (automatic set and you too)
17-You can change your blog post link.
18-You can choose locations for your blog post (automatic set and you too)
19-You can see and change some blog post options. (automatic set and you too)
20-Your work area.
অনেক পোস্ট দেখি যে, কোন স্কিল নেই, তারা ওডেস্কে কাজ করতে আগ্রহি।
আসলে অনেকের ধারনা ওডেস্ক এ গেলে ই কাজ করা যাবে। যারা নতুন নিজের দক্ষতা কে যে ওডেস্কে ব্যাবহার করে কাজ করতে হবে, তা অনেকেই জানেন না। আর অনেকে ওডেস্কে একাউন্ট করে বেশ কিছুদিন গুতাগুতি করে এসে পোস্ট দেন যে এখন কি করা যাবে? কিভাবে কাজ করবে?
কি কাজ জানেন?
কাজ তো জানি না।
তো কিভাবে কাজ করবেন?
ওডেস্ক দিয়ে।
ওডেস্ক হচ্ছে একটা মার্কেট প্লেস। এখানে জব পাওয়া যাবে , জব দেয়া যাবে।
যেমন অনেকে বিডি জবস এর সাথে পরিচিত। যেখানে বাংলাদেশের অনেক কাজ পাওয়া যায়। কোম্পানি গুলো অনেক জব পোস্ট করে । ওডেস্ক তেমনি। কিন্তু এর মান অনেক উন্নত - আন্তর্জাতিক। আর সারা পৃথিবীর অনেক বড় বড় কোম্পানি ও এখানে জব পোস্ট করে। তাই অবশ্যই আপনার দক্ষতা থাকতে হবে - এবং যদি হয় আন্তর্জাতিক মানের - তবে আপনি বেশ ভালো করতে পারবেন।
কারন সারা পৃথিবী থেকে বেশ বড় বড় কোম্পানি জব পোস্ট করে আর একি ভাবে আন্তর্জাতিক মানের কনট্রাক্টর রা কাজের জন্য বিড করে বা এপ্লাই করে।
তো আশা করি বুঝতে পারছেন আপনি কোন না কোন স্কিল তৈরি করতে হবে। যেমন ওয়েব ডেভেলপার, একাউন্টিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ইমেইল মার্কেটিং ইত্যাদি।
আসলে হ্যাঁ। এমন অনেক অনেক কাজ আছে যা আমরা জানি ই না। ইন্টারনেট আসার পর থেকে ওয়েব বেসড অনেক কাজ তৈরি হয়েছে। আরো হবে। বাংলাদেশে এস ই ও বা গ্রাফিক ডিজাইন ইত্যাদি এখন খুব প্রচলিত। আপনি করতে পারেন। কিন্তু যদি নতুন ধরনের কাজ চান, তবে একটু খুজুন। অনেক ভালো স্কিল আছে যার চাহিদা অনেক।
কি কি স্কিল?
১। ওয়েব ডেভেলপার
২। ওয়েব ডিজাইনার
৩। মোবাইল এপ্পপ্লিকেশন ডেভেলপ
৪। এন্ড্রয়েড এপ্পপ্লিকেশন ডেভেলপ
৫। Social Media Marketing
৬। ইমেইল মার্কেটিং
৭। গ্রাফিক ডিজাইন
৮। ওয়েব রিসারস
৯। সফটওয়্যার ডেভেলপিং
১০। রাইটিং
১১। কাস্টমার সাপোর্ট
১২। ভারটুয়াল পি এস
এবং আরো অনেক।
অনেক স্কিল এর ডিমান্ড বেশি (অর্থাৎ ইনকাম বেশি) । কিন্তু তা বেশ সময় দিয়ে শিখতে হয়। ধৈর্যের কিছু পরীক্ষা দিতে হয়। আর কিছু সহজে হয়তো শেখা যাবে কিন্তু চাহিদা কম আর থাকলেও বেশ কম্পিটিশন। কারন এটা সহজ (যেমন ডাটা এন্ট্রি) ।
এবার আপনি সিদ্ধান্ত নিন কি শিখতে চান। সিনিয়ার দের সাথে কন্সাল্ট করুন।
আর এরপর জা লাগবে -
১। ইংরেজির দক্ষতা - অন্তত লিখে যেন মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেন এবং পোস্ট দেখে বুঝতে পারেন যে কি লিখা হয়েছে। ব্যাকরণের কিছু ভুল হলে প্রব নেই তবে না হলেই বেটার। আর ভালো হলে তো কথাই নেই। ফিলিপাইন উঠে এসেছে এই কারনেই। ইংরেজীতে দক্ষতা কাজ শেখার সময় লাগবে, আর কাজ শিখে আয় করার সময় তো লাগবেই। তাই এর জন্য ও আপনাকে প্রস্তুত হতে হবে।
২। আপনার নিজের পি সি / ইন্টারনেট
স্কিল বাড়ানোর কোন বয়স নেই। তবে হ্যাঁ। যখন আপনি মার্কেট প্লেস গুলো তে কাজ করতে যাবেন, আপনার বয়স হতে হবে ১৮+।
পাশাপাশি একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার আছে।
আগামি বছরের ভেতর শুনেছি ৬০% ফ্রিলেন্সার যারা বেশ সহজ কাজ গুলো করেন - ঝরে জাবেন। আর কিছু করবেন ধুকে ধুকে। যারা ভালো স্কিল নিয়ে কাজ করছেন, তারা কাজ করে জাবেন দাপটের সাথে।
তথ্য প্রযুক্তির স্রোত বেশ পরিবর্তন শীল। যেমন আগামি বছরের ভেতর এন্ড্রেয়েড এর ইউজার হবে ১ বিলিয়ন।
তাই এখন সময় এসে গেছে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতে নিজেকে সামনে নিয়ে যাবার।
ভালো স্কিল ডেভেলপ করতে হয়তো একটু বেশি সময় যাবে, একটু কস্ট হবে - কিন্তু ফল পাবেন সুদুর প্রসারি। আপনার আজকের পদক্ষেপ - ভবিষ্যতের আপনি।
আসলে অনেকের ধারনা ওডেস্ক এ গেলে ই কাজ করা যাবে। যারা নতুন নিজের দক্ষতা কে যে ওডেস্কে ব্যাবহার করে কাজ করতে হবে, তা অনেকেই জানেন না। আর অনেকে ওডেস্কে একাউন্ট করে বেশ কিছুদিন গুতাগুতি করে এসে পোস্ট দেন যে এখন কি করা যাবে? কিভাবে কাজ করবে?
কি কাজ জানেন?
কাজ তো জানি না।
তো কিভাবে কাজ করবেন?
ওডেস্ক দিয়ে।
ওডেস্ক হচ্ছে একটা মার্কেট প্লেস। এখানে জব পাওয়া যাবে , জব দেয়া যাবে।
যেমন অনেকে বিডি জবস এর সাথে পরিচিত। যেখানে বাংলাদেশের অনেক কাজ পাওয়া যায়। কোম্পানি গুলো অনেক জব পোস্ট করে । ওডেস্ক তেমনি। কিন্তু এর মান অনেক উন্নত - আন্তর্জাতিক। আর সারা পৃথিবীর অনেক বড় বড় কোম্পানি ও এখানে জব পোস্ট করে। তাই অবশ্যই আপনার দক্ষতা থাকতে হবে - এবং যদি হয় আন্তর্জাতিক মানের - তবে আপনি বেশ ভালো করতে পারবেন।
কারন সারা পৃথিবী থেকে বেশ বড় বড় কোম্পানি জব পোস্ট করে আর একি ভাবে আন্তর্জাতিক মানের কনট্রাক্টর রা কাজের জন্য বিড করে বা এপ্লাই করে।
তো আশা করি বুঝতে পারছেন আপনি কোন না কোন স্কিল তৈরি করতে হবে। যেমন ওয়েব ডেভেলপার, একাউন্টিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ইমেইল মার্কেটিং ইত্যাদি।
আসলে হ্যাঁ। এমন অনেক অনেক কাজ আছে যা আমরা জানি ই না। ইন্টারনেট আসার পর থেকে ওয়েব বেসড অনেক কাজ তৈরি হয়েছে। আরো হবে। বাংলাদেশে এস ই ও বা গ্রাফিক ডিজাইন ইত্যাদি এখন খুব প্রচলিত। আপনি করতে পারেন। কিন্তু যদি নতুন ধরনের কাজ চান, তবে একটু খুজুন। অনেক ভালো স্কিল আছে যার চাহিদা অনেক।
কি কি স্কিল?
১। ওয়েব ডেভেলপার
২। ওয়েব ডিজাইনার
৩। মোবাইল এপ্পপ্লিকেশন ডেভেলপ
৪। এন্ড্রয়েড এপ্পপ্লিকেশন ডেভেলপ
৫। Social Media Marketing
৬। ইমেইল মার্কেটিং
৭। গ্রাফিক ডিজাইন
৮। ওয়েব রিসারস
৯। সফটওয়্যার ডেভেলপিং
১০। রাইটিং
১১। কাস্টমার সাপোর্ট
১২। ভারটুয়াল পি এস
এবং আরো অনেক।
অনেক স্কিল এর ডিমান্ড বেশি (অর্থাৎ ইনকাম বেশি) । কিন্তু তা বেশ সময় দিয়ে শিখতে হয়। ধৈর্যের কিছু পরীক্ষা দিতে হয়। আর কিছু সহজে হয়তো শেখা যাবে কিন্তু চাহিদা কম আর থাকলেও বেশ কম্পিটিশন। কারন এটা সহজ (যেমন ডাটা এন্ট্রি) ।
এবার আপনি সিদ্ধান্ত নিন কি শিখতে চান। সিনিয়ার দের সাথে কন্সাল্ট করুন।
আর এরপর জা লাগবে -
১। ইংরেজির দক্ষতা - অন্তত লিখে যেন মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেন এবং পোস্ট দেখে বুঝতে পারেন যে কি লিখা হয়েছে। ব্যাকরণের কিছু ভুল হলে প্রব নেই তবে না হলেই বেটার। আর ভালো হলে তো কথাই নেই। ফিলিপাইন উঠে এসেছে এই কারনেই। ইংরেজীতে দক্ষতা কাজ শেখার সময় লাগবে, আর কাজ শিখে আয় করার সময় তো লাগবেই। তাই এর জন্য ও আপনাকে প্রস্তুত হতে হবে।
২। আপনার নিজের পি সি / ইন্টারনেট
স্কিল বাড়ানোর কোন বয়স নেই। তবে হ্যাঁ। যখন আপনি মার্কেট প্লেস গুলো তে কাজ করতে যাবেন, আপনার বয়স হতে হবে ১৮+।
পাশাপাশি একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার আছে।
আগামি বছরের ভেতর শুনেছি ৬০% ফ্রিলেন্সার যারা বেশ সহজ কাজ গুলো করেন - ঝরে জাবেন। আর কিছু করবেন ধুকে ধুকে। যারা ভালো স্কিল নিয়ে কাজ করছেন, তারা কাজ করে জাবেন দাপটের সাথে।
তথ্য প্রযুক্তির স্রোত বেশ পরিবর্তন শীল। যেমন আগামি বছরের ভেতর এন্ড্রেয়েড এর ইউজার হবে ১ বিলিয়ন।
তাই এখন সময় এসে গেছে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতে নিজেকে সামনে নিয়ে যাবার।
ভালো স্কিল ডেভেলপ করতে হয়তো একটু বেশি সময় যাবে, একটু কস্ট হবে - কিন্তু ফল পাবেন সুদুর প্রসারি। আপনার আজকের পদক্ষেপ - ভবিষ্যতের আপনি।
কে কে মাছ ধরেছেন গ্রামের পুকুরে
কে কে মাছ ধরেছেন গ্রামের পুকুরে? আপডেট তবে জেনে রাখুন , আপনি যেখানেই পোর্টফোলিও করুন - সেখানে যেন আপনার কন্টাক্ট ইনফরমেশন না থাকে। এই লিঙ্ক কভার লেটার এ ব্যাবহার করলে আপনার সমস্যা হতে পারেন ওডেস্ক। এটা পলিসি ভায়োলেশন। -------------------------------------------------------------------- আচ্ছা বলেন তো টোপ ছাড়া মাছ ধরা যায়? বড়শি ফেলে বসে রইলেন, আর ওদিকে বড়শির মাথায় নাই টোপ - ক্লায়েন্ট ধরবেন কিভাবে? টোপ টা কি??? পোর্টফলিও। খুবই লোভনীয়। কভার লেটার এ ইতিহাস চায় না ক্লায়েনট...চায় দেখতে সে কেমন কাজের কাজী। বুঝিয়ে দিন একটা মাত্র লিঙ্ক দিয়ে। লিঙ্ক এ ক্লিক করা মাত্র আপনি মাছ ধরে ফেলেছেন, জাস্ট টেনে তুলুন...তবে হে, আগডুম বাগডুম পোর্টফলিও র কথা বলছি না, বলছি সাজানো গোছানো ছিমছাম - দুর্দান্ত একটা প্রফেশনাল পোর্টফলিওর কথা। কি কি দিতে পারেন? Project এর নাম দিন। কাজের ছবি দিন। আপনার কাজ বর্ণনা করুন Point wise. oDesk এ যে ফিডব্যাক পেয়েছেন, তার URL দিন। কাজের ending time দিন। আরো দিতে পারেন - আপনার কাজের রেট, বোনাস, ফিডব্যাক কমেন্টস। তো কিভাবে করবেন, আর কভার লেটার এ তা দেবেন? আপনি কোন একটা জায়গায় আপনার কাজ গুলো সাজিয়ে রাখুন। নিজের একটা ওয়েব সাইট হলে তো খুব ই ভালো।না হলে ব্লগ হতে পারে। এটা একদম ফ্রি। না হলে অন্তত কোন একটা ফাইল শেয়ারিং সাইট এ। তবে মনে রাখবেন, ওখানে যেন কোন আপনার কন্টাক্ট ইনফ/ইমেইল ইত্যাদি না থাকে। এটা ওডেস্কের policy violation. ব্লগ তৈরি করা অনেক সহজ। এই যে দেখুন এখানে। ৫ মিনিট লাগবে আপনার - http://www.youtube.com/watch?v=JXiJ6jY3qB4 এটা একদম ফ্রি। এছাড়াও আপনি এখানেও করতে পারেন - http://www.viewbook.com/tour/ ৩০ দিন ফ্রি। এছাড়া অনলাইনে বেশ কিছু সাইট আছে যেখানে পোর্ট ফোলিও রাখা যায়। আপনাকে ওয়েব সাইট বানাতে হবে না। এখানে রাখতে পারেন। পোর্টফলিও আপলোড করার সাইট ১- http://www.portfoliopen.com/ ২-http://foliohd.com/ ৩- https://www.coroflot.com/signup ৪-http://shownd.com/ মাছ ধরুন পোর্টফলিও দিয়ে - বুঝলেন তো?
বুধবার, ৯ জানুয়ারি, ২০১৩
Bangladesh internet Club: ***Html শেখার উপায় : অধ্যায় ১
Bangladesh internet Club: ***Html শেখার উপায় : অধ্যায় ১: ***Learn HTML : অধ্যায় ১
googleb74d12566e23c282
googleb74d12566e23c282
বুধবার, ১ আগস্ট, ২০১২
*** html শেখার উপায় : অধ্যায় ৮
googleb74d12566e23c282
আমি আজকে আলোচনা করব html -এর Form নিয়ে ।এটি অত্যান্ত গুরুত্বপূ্র্ণ বিষয় কেননা পিএইচপি -তে এটি বেশী ব্যবহৃত হয় ।একেও ক্ষেত্র বিশেষে সার্ভার সাইট স্কীপটিং বলা হয়ে থাকে । আমার আগের পোস্ট গুলো না দেখে থাকলে নিচে লিংক দেওয়া আছে ওখান থেকে দেখে নেবেন ।
১.Text field:-
পেজে কোন লেখার স্হান তেরী করতে এটি ব্যবহার করা হয় । ঠিক যেমন টা আপনি নিচে মন্তব্য বাক্সে দেখতে পারছেন । এর প্রাথমিক গঠন
text field-এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
২.Multi-line text:-
এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় textarea ট্যাগটি ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
৩.Submit field:-
পেজে বটন তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
৪.Radio field:-
পেজে ঠিক চিহ্ন দেবার বাক্স তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
৫.Password field:-
পেজে পাসওয়ার্ড দেবার বাক্স তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
৬.Checkbox field:-
পেজে নির্বাচন-বাক্স তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
৭.File upload field:-
পেজে আপলোড বাক্স তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
৮. Selection field:-
পেজে ক্রম অনুযায়ী নির্বাচন-বাক্স তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
৯.Reset button:-
আমরা পেজে যে সমস্ত ডেটা দিলাম তা পুনরায় নতুন করে দেবার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
আমি আজকে আলোচনা করব html -এর Form নিয়ে ।এটি অত্যান্ত গুরুত্বপূ্র্ণ বিষয় কেননা পিএইচপি -তে এটি বেশী ব্যবহৃত হয় ।একেও ক্ষেত্র বিশেষে সার্ভার সাইট স্কীপটিং বলা হয়ে থাকে । আমার আগের পোস্ট গুলো না দেখে থাকলে নিচে লিংক দেওয়া আছে ওখান থেকে দেখে নেবেন ।
Form:-
Form- ট্যাগটির সাহায্যে পেজ থেকে কোন প্রকার ডেটা সরাসরি ডেটাবেসে প্রবেশ করান যায় । Form-টি অনেক গুলি Attributes -এর সাহায্য নিয়ে কাজ করে । form-এর প্রাথমিক গঠন হল <form>………</form> -এরকম ।এই ট্যাগটির দুটি গুরুত্বপূর্ণ Attribute হল method,action ।এছাড়াও কত গুলি ট্যাগ ফ্রম ট্যাগের অধীনে কাজ করে । নিচের ছকে কত গুলি উদাহরণ দেখান হল ।| Attributes-এর নাম | মান | কাজ |
|---|---|---|
| input | নির্দিষ্ট নয় | নির্দিষ্ট নয় |
| type | text | পেজে লেখার স্হান তৈরী করা |
| textarea | name,rows,cols | পেজে লেখার স্হান তৈরী করা |
| type | submit | পেজে বটন তৈরী করে |
| type | radio | ঠিক চিহ্ন দেবার বাক্স তৈরী করে |
| type | password | পাসওয়ার্ড দেবার বাক্স তৈরী করে |
| type | checkbox | নির্বাচন-বাক্স তৈরী করে |
| type | file | আপলোড বাক্স তৈরী করে |
| select | option | ক্রম অনুযায়ী নির্বাচন-বাক্স তৈরী করে |
| type | reset | ডেটা পুনরায় নতুন করে দেবার জন্য |
পেজে কোন লেখার স্হান তেরী করতে এটি ব্যবহার করা হয় । ঠিক যেমন টা আপনি নিচে মন্তব্য বাক্সে দেখতে পারছেন । এর প্রাথমিক গঠন
| ইনপুট কোড | ব্রাউজারে আউটপুট |
|---|---|
<form> <input type="text"> </form> | ![]() |
| ইনপুট কোড | ব্রাউজারে আউটপুট |
|---|---|
<form method="post" action="mailto:kaktadua@tunerpage.com"> নাম: <input type="text" size="10" maxlength="40" name="name" id="name"> </form> | ![]() |
এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় textarea ট্যাগটি ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
| ইনপুট কোড | ব্রাউজারে আউটপুট |
|---|---|
<textarea name="suggestions" rows="5" cols="25">আপনার মতামত</textarea> |
পেজে বটন তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
| ইনপুট কোড | ব্রাউজারে আউটপুট |
|---|---|
<form method="post" action="anyphpfile.php"> <input type="submit" value="submit" id="প্রদান"/> </form> | ![]() |
পেজে ঠিক চিহ্ন দেবার বাক্স তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
| ইনপুট কোড | ব্রাউজারে আউটপুট |
|---|---|
<form method="post" action="anyphpfile.php"> আমার টিউন গুলি আপনাদের কেমন লাগল ? <p><input type="radio" name="rating" value="excellent">ব্যপক !!! <br/> <input type="radio" name="rating" value="good">ভাল <br/> <input type="radio" name="rating" value="bad">ভাল না <br/> <input type="radio" name="rating" value="verybad">খুব খারাপ <br/> </p> </form> | ![]() |
পেজে পাসওয়ার্ড দেবার বাক্স তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
| ইনপুট কোড | ব্রাউজারে আউটপুট |
|---|---|
<form> গোপন সংখ্যা : <input type="password" name="pwd" maxlength="8" /> </form> | ![]() |
পেজে নির্বাচন-বাক্স তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
| ইনপুট কোড | ব্রাউজারে আউটপুট |
|---|---|
<form method="post" action="anyphpfile.php"> আপনার কি আমার সাহায্য প্রয়োজন ? <input type="checkbox" name="sendmail" value="send" checked="checked" />হ্যা ,আমার সাহায্য প্রয়োজন </br> <input type="checkbox" name="sendmail" value="dontsend" /> না,আমার সাহায্য প্রয়োজন নেই</br> <input type="checkbox" name="nxttime" />পরে দেখা যাবে </form> | ![]() |
পেজে আপলোড বাক্স তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
| ইনপুট কোড | ব্রাউজারে আউটপুট |
|---|---|
<form method="post" action="anyphpfile.php"> <input type="hidden" name="max_file_size" value="100" /> <input name="file" type="file" /> </form> | ![]() |
পেজে ক্রম অনুযায়ী নির্বাচন-বাক্স তৈরী করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
| ইনপুট কোড | ব্রাউজারে আউটপুট |
|---|---|
<form method="post" action="mailto:kaktadua@tunerpage.com"> বাংলা সাইট গুলোর মধ্যে আপনি যা যা পরিদর্শন করেছেন <select multiple name="music" size="4"> <option value="tunerpage" selected>TunerPage</option> <option value="techtunes" >Techtunes</option> <option value="techtweets" >Techtweets</option> <option value="BDnews24 " >BD news 24 </option> <option value="Prothom Alo " >Prothom Alo </option> <option value="Ananda Bazar " >Ananda Bazar </option> <option value="Kaler kantho " >Kaler kantho </option> </select> </form> | ![]() |
আমরা পেজে যে সমস্ত ডেটা দিলাম তা পুনরায় নতুন করে দেবার জন্য এটি ব্যবহার করা হয় ।এর মধ্যে অনেক গুলি Attribute-ও ব্যবহার করা যায় । এর Attribute যুক্ত গঠন নিচে দেখান হল ।
| ইনপুট কোড | ব্রাউজারে আউটপুট |
|---|---|
<form actiion="somefile.php" onReset="return confirm
('আপনি কি সব তথ্য মুছে আবার নতুন করে দিতে রাজি আছেন ?')">
<input type="reset" value="সব তথ্য রিসেট করব">
</form>
| ![]() |
আজ এ-পর্যন্তই ।ধন্যবাদ
ভাল থাকুন নিজে আর ভাল রাখুন অপরকে…।
Lesson 1 Learn HTML
আমার আজকের অলোচ্য বিষয় হল html-এর Table ট্যাগ ।
***Table Tag:-
ওয়েবপেজের মধ্যে কোন ছক বা Table তৈরি করতে ব্যবহার হয় এই ট্যাগটি ।Table Tag-টি <tr> Tag-এর মাধ্যমে ছকের মধ্যে সারি(row) এবং <td> Tag-এর মাধ্যমে ছকের মধ্যে স্তম্ভ(Column or Cell) তৈরি করে । টেবিল ট্যাগটিতে কতগুলি বিশেষ Attributes-ও ব্যবহার করা যায় ।Attributes গুলি হল border,cellspacing,cellpadding ইত্যাদি ।
**এর প্রাথমিক গঠন
border,cellspacing,cellpadding
Attributes-গুলির মান হয় কোন একটি পূর্ণাঙ্গ গানিতিক মান ।border
Attribute-টি ছকের বহিঃরেখা নির্দেশ করে ।cellspacing আর cellpadding
Attribute-দুটি ছক-মধ্যস্হ লেখার মধ্যে ব্যবধান তৈরি করে ।এছাড়াও
<td> tag-টির জন্য কিছু বিশেষ Attributes আছে ।যেমন
rowspan,colspan । rowspan Attribute-টি সারিকে সংকুচিত করে আর colspan
Attribute-টি স্তম্ভকে সংকুচিত করে ।ছকের মধ্যে কোন লেখাকে শিরোনাম হিসেবে
ব্যবহার করার জন্য সেই সারির <td> গুলিকে <th> লিখতে হয়
।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে tr-এর অর্থ Table Row, td-এর অর্থ Table Data,
th-এর অর্থ Table Heading ।
যেমন
নিচের উদাহরণটি নিজে করার চেষ্টা করুন
***Table Tag:-
ওয়েবপেজের মধ্যে কোন ছক বা Table তৈরি করতে ব্যবহার হয় এই ট্যাগটি ।Table Tag-টি <tr> Tag-এর মাধ্যমে ছকের মধ্যে সারি(row) এবং <td> Tag-এর মাধ্যমে ছকের মধ্যে স্তম্ভ(Column or Cell) তৈরি করে । টেবিল ট্যাগটিতে কতগুলি বিশেষ Attributes-ও ব্যবহার করা যায় ।Attributes গুলি হল border,cellspacing,cellpadding ইত্যাদি ।
**এর প্রাথমিক গঠন
| ইনপুট কোড | ব্রাউজারে আউটপুট | ||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| <table border=”2″> <tr><td>১ম সারি,১ম স্তম্ভ </td><td>১ম সারি,২য় স্তম্ভ </td><td>১ম সারি,৩য় স্তম্ভ </td></tr> <tr><td>২য় সারি,১ম স্তম্ভ </td><td>২য় সারি,২য় স্তম্ভ </td><td>২য় সারি,৩য় স্তম্ভ </td></tr> </table> |
|
যেমন
| ইনপুট কোড | ব্রাউজারে আউটপুট | |||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| <table border=”1″ cellspacing=”3″ cellpadding=”4″> <tr><th bgcolor=”red”>১ম স্তম্ভ</th><th>২য় স্তম্ভ</th><th>৩য় স্তম্ভ</th></tr> <tr><td rowspan=”2″>১ম সারি, ১ম স্তম্ভ</td><td>১ম সারি,২য় স্তম্ভ</td><td>১ম সারি, ৩য় স্তম্ভ</td></tr> <tr><td>২য় সারি,২য় স্তম্ভ</td><td>২য় সারি, ৩য় স্তম্ভ</td></tr> <tr bgcolor=”green”><td colspan=”3″> ৩য় সারি, ১ম স্তম্ভ</td></tr></table> |
| |||||||||||
নিচের উদাহরণটি নিজে করার চেষ্টা করুন
![]() | ![]() |
![]() | |
![]() |
আজ এ-পর্যন্তই ।ধন্যবাদ ভাল থাকুন নিজে আর ভাল রাখুন অপরকে…।
Learn HTML Lesson 2
googleb74d12566e23c282
আজকে আমি আলোচনা করব Html-এর Link এবং Image সম্পর্কে ।
যেমন
যেমন
যেমন
যেমন
যেমন
*** Html Link:-
ওয়েব পেজের মধ্যে কোন লিংক যোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয় Html Link । Html Link হিসেবে যে-কোন টেক্সস্ট বা ছবি ব্যবহৃত হয়ে থাকে । তবে লিংক বলে কোন ট্যাগ নেই ।ওয়েব পেজে যেকোন Link যোগ করার জন্য <a> ট্যাগ এবং এই ট্যাগের একটি Attribute, href ব্যবহৃত হয় ।<a> ট্যাগের link সংক্রান্ত আরও একটি Attribute হল target । href Attribute-টির ধরন রেফারেন্সের উপর ভিত্তি করে তিন রকমের হয়ে থাকে ।যে কোন সর্ভারে তিন ধরনের রেফারেন্স থাকে এগুলি হল ১.ইন্টারনাল -একই ওয়েব পেজে বিদ্যমান, ২.লোকাল -নিজস্ব ডোমেইনে বিদ্যমান, ৩.গ্লোবাল -অন্য কোন স্হানে বিদ্যমান ।ইন্টারনাল রেফারেন্সের ক্ষেত্রে href Attribute-টির মান হবে href=”#কককককক”-এই ধরনের,লোকাল রেফারেন্সের ক্ষেত্রে href Attribute-টির মান হবে href=”../খখখখ/খখখখখখখ”-এই ধরনের, আর গ্লোবাল রেফারেন্সের ক্ষেত্রে href Attribute-টির মান হবে href=”http://www.xxxxxx.xxx”-এই ধরনের । সার্বিকভাবে গ্লোবাল রেফারেন্সটিই বহুল ব্যবহৃত ।1.Text Link:-
এর গঠন <a href=”http://www.xxxx.xxx”>yyyyy</a> -এই রকমের হয় ।এখানে www.xxxx.xxx -এর মান হবে আপনি যে লিংকটি যোগ করতে চাচ্ছেন তার URL এবং yyyyy -এর মান হবে আপনি যে নামে লিংকটিকে ওয়েব পেজে দেখাতে চান বা সেটি ।<a> ট্যাগের link সংক্রান্ত আরও একটি Attribute হল target ।target Attribute-এর মান _blank, _parent, _self, _top এই চারটি হয় । target=”_blank” Attribute-টি ব্রাউজারের নতুন উইন্ডোতে নতুন পেজে আপনার প্রদত্ত লিংকটি প্রকাশ করবে ।target=”_self” Attribute-টি ব্রাউজারের বর্তমান উইন্ডোতে নতুন পেজে আপনার প্রদত্ত লিংকটি প্রকাশ করবে ।অধিকাংশ C.M.S-র মধ্যে এটি ডিফল্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয় । target=”_parent” Attribute-টি ব্রাউজারের বর্তমান উইন্ডোতে নতুন পেজে আপনার প্রদত্ত লিংকটি প্রকাশ করবে । target=”_top” Attribute-টি সমস্ত ফ্রেম বাতিল করে ব্রাউজারের বর্তমান উইন্ডোতে নতুন পেজে আপনার প্রদত্ত লিংকটি প্রকাশ করবে ।যেমন
| input | ব্রাউজারে output |
|---|---|
| স্বাগতম <a href=”http://www.themore.cz.cc” target=”_blank”>মোর কুঁড়েঘরে</a> স্বাগতম <a href=”http://www.themore.cz.cc” target=”_self”>মোর কুঁড়েঘরে</a> স্বাগতম <a href=”http://www.themore.cz.cc” target=”_parent”>মোর কুঁড়েঘরে</a> স্বাগতম <a href=”http://www.themore.cz.cc” target=”_top”>মোর কুঁড়েঘরে</a> | স্বাগতম মোর কুঁড়েঘরে স্বাগতম মোর কুঁড়েঘরে স্বাগতম মোর কুঁড়েঘরে স্বাগতম মোর কুঁড়েঘরে |
2.Image Link:-
গঠন Text Link-এর মতই কেবল yyyyy-এর মান কোন Text-এর পরিবর্তে যে ছবিটি ওয়েব লিংক হিসেবে ব্যবহার করতে চান তার লিংক বা অবস্হান লিখতে হবে ।যেমন
| input | ব্রাউজারে output |
|---|---|
| <a href=”http://www.tunerpage.com” target=”_blank”><img src=”http://www.tunerpage.com/uploads/2011/07/ert.png”/></a> |
3.Internal Link:-
একই পেজের মধ্যে উপর থেকে নিচে বা নিচ থেকে উপরে কোথাও যাবার জন্য এই লিংকটি ব্যবহার করা হয় ।এক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কাজ দুটি ।প্রথমে যে টেক্সস্টটিকে লিংকের আউটপুটের ফলাফল হিসেবে ব্যবহার করা হবে তাতে <a> ট্যাগের name Attribute টি ব্যবহার করা করতে হবে ।দ্বিতীয়ত আউটপুটে প্রদর্শিত টেক্সটিতে <a> ট্যাগের href Attribute টি ব্যবহার করা করতে হবে ।অর্থাত্ এরকম হবে xxxxxxxx<a name=”yyyy”></a> (১ম টি) ,<a href=”#yyyy”>zzzzz</a> (২য় টি) ।যেমন
| input | ব্রাউজারে output |
|---|---|
| Html Link:-<a name=”about_link”></a> Learn About<a href=”#about_link”>Html Link</a> | Learn About Html Link |
4.Email Link:-
কোন বৈ-ডাকের ঠিকানাকে ওয়েবপেজে তুলে ধরতে ব্যবহার করা হয় Email Link । এর গঠন <a href=”mailto:xxxxxx@xxxxxx.xxx”>yyyyyy</a> । এর আউটপুটের yyyyyy-তে ক্লিক করলে আপনার কম্পিউটারে ইনস্টল থাকা মেইল সার্ভারটি xxxxxx@xxxxxx.xxx ঠিকানায় একটি মেইল পাঠাবার জন্য প্রস্তুত হবে ।যেমন
| input | ব্রাউজারে output |
|---|---|
| সাহায্যের জন্য <a href=”mailto:tunerpage@hotmail.com”>এখানে</a> মেইল করুন । | সাহায্যের জন্য এখানে মেইল করুন । |
Html Image:-
ওয়েবপেজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ছবি।পেজের মধ্যে যত ভাল ছবি বা ব্যানার থাকবে পরিদর্শক তত বেশি আকর্ষিত হবে।ওয়েব পেজের মধ্যে কোন ছবি যোগ করতে ব্যবহৃত হয় img ট্যাগ আর src Attribute । src Attribute টির মান হয় যে ছবিটি ওয়েবপেজে প্রকাশ করতে চান তার অবস্হান ।এর গঠন <img src=”http://www.xxxxxx.xxx/xxxxx/xxxx.jpg”/> । লক্ষ্য করুন img ট্যাগটির সমাপ্তকরণ সূচক নেই ।img ট্যাগটির আরও কয়েকটি Attribute হল alt,align,valign,width,height । নেটওয়ার্কের কারনে ছবিটি প্রদর্শিত না হলে alt Attribute লেখা টেক্সটটি প্রদর্শিত হবে ।align Attribute-টির মান right,left,center-এই তিনটি,valign Attribute-টির মান top,bottom,center-এই তিনটি হয় । align ও valign Attribute দুটি দিয়ে ছবির প্রকাশের অবস্হান ঠিক করা হয় ।width ও height Attribute দুটি দিয়ে ছবির দৈর্ঘ্য ও প্রস্হ নির্দিষ্ট করা হয় ।Attribute দুটির মান হয় পূর্নাঙ্গ কোন গানিতিক সংখ্যা ।যেমন
| input | ব্রাউজারে output |
|---|---|
| <img src=”http://www.tunerpage.com/uploads/2011/07/ert.png” alt=”tunerpage” align=”right” width=”250″ height=”150″/> |
আজ এ-পর্যন্তই ।
***html শেখার উপায় :: অধ্যায় ৫
googleb74d12566e23c282
আমার আজকের আলোচনার বিষয় হল html -এর Colour code এবং Bgcolor ।
অর্থাত্
ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির 10 হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে A -এর সমান এবং
অনুরূপে 11,12,13,14,15 যথাক্রমে B,C,D,E,F -এর সমান ।হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা
পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ মান F পর্যন্ত হতে পারে । এখন হেক্সাডেসিমেল নম্বরের
দ্বারা ওয়েব পেজে লাল রঙ ব্যবহার করতে হলে প্রথম জোড়া হেক্সাডেসিমেল
সংখ্যার মান সর্বোচ্চ অর্থাত্ F হতে হবে বাকি দুই জোড়া হেক্সাডেসিমেল
সংখ্যার মান সর্বনিম্ন অর্থাত্ ০ হতে হবে তাই হেক্সাডেসিমেল নম্বরে লাল
রঙের কোড হবে #FF0000 অনুরূপে সবুজ আর নীল রঙের ক্ষেত্রেও হবে ।
নিচের ছকে ২টি রঙ পদ্ধতির উদাহরণ দেওয়া হল


ভাল থাকুন নিজে আর ভাল রাখুন অপরকে…।
Colour code:-
সব রঙই কিছু কথা বলে তাইতো রঙের মধ্যেও রয়েছে ভিন্নতা । html-এর মধ্যে রঙের এই বিভন্নতা প্রকাশ করা হয় কালার কোড দিয়ে ।ব্যাকগ্রাউন্ডের রঙ থেকে ফন্টের রঙ সবই পরিবর্তন করা যায় তিনটি কালার কোডিং সিস্টেমের দ্বারা ।এই তিনটি কালার কোডিং সিস্টেম হল যথাক্রমে ১.সাধারণ নাম দিয়ে ,যেমন:- black,white,red,blue,green ২.হেক্সাডেসিমেল নম্বর দ্বারা, যেমন:- #000000,#FFFFFF,#FF0000,#0000FF,#00FF00 ৩.rgb পদ্ধতি দ্বারা ,যেমন:- rgb(0,0,0),rgb(255,255,255),rgb(255,০,০),rgb(০,255,০),rgb(০,০,255) ।এই তিন ধরনের রঙ বর্ননার পদ্ধতি থাকলেও ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিন্তু মূলত ব্যবহার হয় হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিটিই ।সাধারণ নামের পদ্ধতিটিও ক্ষেত্র বিশেষে ব্যবহৃত হয়ে থাকে ।আর rgb পদ্ধতিতে ব্যবহৃত রঙ অনেক ব্রাউজারে প্রদর্শিত হয় না বলে বহুল ব্যবহৃত নয় ।নিচে তিনটি পদ্ধতি আলোচনা করা হল ।১.সাধারণ নাম দিয়ে:-
এটির ক্ষেত্রে জানার কিছুই নেই আমরা যে নামে বিভিন্ন রঙকে জানি তাই এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় ।২.হেক্সাডেসিমেল নম্বর দ্বারা:-
এর গঠন #RRGGBB অর্থাত্ # চিহ্নের পর তিন জোড়া হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা যার প্রথম জোড়া লাল রঙের গাঢ়ত্ব,২য় জোড়া সবুজ রঙের গাঢ়ত্ব,৩য় জোড়া নীল রঙের গাঢ়ত্ব প্রকাশ করে ।আমরা তো অনেকেই ডেসিমেল আর হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি গনিতে শিখেছি,আর না শেখা থাকলে নিচে দেওয়া ছকটি দেখুন ।| ডেসিমেল | 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | 10 | 11 | 12 | 13 | 14 | 15 |
| হেক্সাডেসিমেল | 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8 | 9 | A | B | C | D | E | F |
৩.rgb পদ্ধতি দ্বারা:-
এর গঠন rgb(r,g,b) অর্থাত্ rgb(লাল রঙের গাঢ়ত্ব,সবুজ রঙের গাঢ়ত্ব,নীল রঙের গাঢ়ত্ব) ।এখানে r-এর মান 0 থেকে 255 পর্যন্ত যেকোন একটি সংখ্যা হয়ে থাকে অনুরূপে g এবং b-এর মানও হয় ।rgb পদ্ধতি দ্বারা ওয়েব পেজে লাল রঙ ব্যবহার করতে হলে r-এর মান সর্বোচ্চ অর্থাত্ 255 হতে হবে এবং g ও b-এর মান সর্বনিম্ন অর্থাত্ ০ হতে হবে তাই rgb পদ্ধতিতে লাল রঙের কোড হবে rgb(255,০,০) অনুরূপে সবুজ আর নীল রঙের ক্ষেত্রেও হবে ।rgb পদ্ধতি এবং হেক্সাডেসিমেল নম্বর পদ্ধতির মধ্যে সম্পর্ক:-
হেক্সাডেসিমেল নম্বর পদ্ধতির যেকোন রঙকে খুব সহজেই rgb পদ্ধতিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব ।এক্ষেত্রে #RRGGBB=rgb(R*16+R,G*16+G,B*16+B) উদাহরণ সরূপ লাল রঙের ক্ষেত্রে #FF0000=rgb(F*16+F,0*16+0,0*16+0)=rgb(15*16+15,0,0)=rgb(255,0,0)নিচের ছকে ২টি রঙ পদ্ধতির উদাহরণ দেওয়া হল

Bgcolor:-
এটি
কোন ট্যাগ নয় এটি একটি Attribute । এটি body,font,table,td,tr ইত্যাদি
ট্যাগ গুলির মধ্যে বসে ।এই Attribute-এর = পরে কোটেশনের মধ্যে কালার
কোডিংয়ের মান বসে ।অর্থাত্ এরকম <body Bgcolor=”#FF0000″> …
</body>

ভাল থাকুন নিজে আর ভাল রাখুন অপরকে…।
** html শেখার উপায় :: অধ্যায় ৪
googleb74d12566e23c282
আজকে আমি আলোচনা করব html-এর font আর list নিয়ে ।
rgb(x,x,x),#xxxxxx সম্পর্কে পরে বিস্তারিত আলোচনা করব ।
যেভাবে লিখবেন
প্রথমে ফন্ট ট্যাগটি লিখে ফেলুন এরপর সূচনাকারি ট্যাগ অর্থাত্ <font>-এর মধ্যে Attribute-র নাম লিখে সমান চিহ্ন দিয়ে কোটেশন(“) চিহ্নের মধ্যে রাখুন Attribute-র মানটিকে
অর্থাত্ এরকম হবে <font size=”3″ color=”red”> বিষয়বস্তু</font>
Ordered list:-
ordered list শুরু হয় <ol> ট্যাগ দিয়ে শেষ হয় </ol> ট্যাগ দিয়ে ।এর দুটি Attribute আছে , type আর start এই দুটি ।type Attribute-এর মান a,A,i,I,1 এই পাঁচটি হতে পারে ।start Attribute-এর মান type Attribute-এর উপর নির্ভর করে ।যদি type Attribute-এর মান a বা A হয় তবে start Attribute-এর মান a থেকে z পর্যন্ত যে কোন অক্ষর বা 1 থেকে 26 পর্যন্ত যে কোন পূর্ন গানিতিক সংখ্যা হতে পারে ।যদি type Attribute-এর মান i,I বা 1 হয় তবে start Attribute-এর মান যে কোন পূর্ন গানিতিক সংখ্যা হতে পারে ।
এর গঠন নিচের কাঠামোর হয় ।
unordered list শুরু হয় <ul> ট্যাগ দিয়ে শেষ হয় </ul> ট্যাগ দিয়ে ।এর শুধু type Attribute আছে , type Attribute-এর মান square,circle বা dics ইত্যাদি হয়ে থাকে ।
এর গঠন নিচের কাঠামোর হয়
Definition list এর ব্যবহার সাধারনত অভিধানে দেখা যায়।definition list শুরু হয় <dl> ট্যাগ দিয়ে শেষ হয় </dl> ট্যাগ দিয়ে ।<dl> tag ব্যাবহার করে Definition list তৈরী করা হয়। যাকে Define করতে চাই তাকে bold আকারে দেখানো দরকার। Definition list tag এর মধ্যে আরও দুটি tag অর্ন্তভুক্ত সেগুলো হলো <dt> আর <dd> ।এর গঠন
***Html font:-
ওয়েব পেজের font বা হরফের বিভিন্ন রকম স্টাইল প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহৃত হয় Html font । ফন্টের গঠন <font> … </font> এই রকমের হয় ।তবে ফন্ট ট্যাগটি একাই কিছু করতে পারে না এজন্য তাকে সাহায্য করে থাকে কয়েকটি Attribute ।ফন্ট ট্যাগটি এবং Attribute গুলি নিয়ন্ত্রন করা যায় হরফের আকার ,বর্ন(রং) এবং হরফের ধরণ । নিচের ছকে ফন্ট ট্যাগের কয়েকটি প্রয়োজোনীয় Attribute দেখান হল ।| Attribute(-র নাম) | মান | কাজের বর্ননা |
|---|---|---|
| color | rgb(x,x,x)[যেমন rgb(102,204,51)] #xxxxxx (যেমন #66cc33) colorname (যেমন green) | হরফের রং পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত হয় |
| size | 1 থেকে 7 পর্যন্ত যে কোন পূর্ন গানিতিক মান (যেমন 4) | হরফের আকার পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত হয় |
| face | হরফ গোষ্ঠির নাম (যেমন SolaimanLipi) | হরফের ধরণ পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত হয় |
যেভাবে লিখবেন
প্রথমে ফন্ট ট্যাগটি লিখে ফেলুন এরপর সূচনাকারি ট্যাগ অর্থাত্ <font>-এর মধ্যে Attribute-র নাম লিখে সমান চিহ্ন দিয়ে কোটেশন(“) চিহ্নের মধ্যে রাখুন Attribute-র মানটিকে
অর্থাত্ এরকম হবে <font size=”3″ color=”red”> বিষয়বস্তু</font>
Html list:-
ওয়েব পেজে লেখার মধ্যে তালিকা করার সময় প্রয়োজন হয় list ট্যাগের ।তিন ধরনের Html list বিদ্যমান যথা ordered list,unordered list,definition list ।Ordered list:-
ordered list শুরু হয় <ol> ট্যাগ দিয়ে শেষ হয় </ol> ট্যাগ দিয়ে ।এর দুটি Attribute আছে , type আর start এই দুটি ।type Attribute-এর মান a,A,i,I,1 এই পাঁচটি হতে পারে ।start Attribute-এর মান type Attribute-এর উপর নির্ভর করে ।যদি type Attribute-এর মান a বা A হয় তবে start Attribute-এর মান a থেকে z পর্যন্ত যে কোন অক্ষর বা 1 থেকে 26 পর্যন্ত যে কোন পূর্ন গানিতিক সংখ্যা হতে পারে ।যদি type Attribute-এর মান i,I বা 1 হয় তবে start Attribute-এর মান যে কোন পূর্ন গানিতিক সংখ্যা হতে পারে ।
এর গঠন নিচের কাঠামোর হয় ।
<ol type="1" start="1">
<h3>টপ টিজে </h3>
<li>পুদিনা পাতা</li>
<li>অনির্বাচিত টিউনার</li>
<li>সার্ভার কুইন</li>
<li>বান্দা_ ইখতিয়!র </li>
</ol>
Unordered list:-unordered list শুরু হয় <ul> ট্যাগ দিয়ে শেষ হয় </ul> ট্যাগ দিয়ে ।এর শুধু type Attribute আছে , type Attribute-এর মান square,circle বা dics ইত্যাদি হয়ে থাকে ।
এর গঠন নিচের কাঠামোর হয়
<ul type="circle" ><h3>টপ টিজে </h3>
<li>পুদিনা পাতা</li>
<li>অনির্বাচিত টিউনার</li>
<li>সার্ভার কুইন</li>
<li>বান্দা_ ইখতিয়!র </li></ul>
**Definition list:-Definition list এর ব্যবহার সাধারনত অভিধানে দেখা যায়।definition list শুরু হয় <dl> ট্যাগ দিয়ে শেষ হয় </dl> ট্যাগ দিয়ে ।<dl> tag ব্যাবহার করে Definition list তৈরী করা হয়। যাকে Define করতে চাই তাকে bold আকারে দেখানো দরকার। Definition list tag এর মধ্যে আরও দুটি tag অর্ন্তভুক্ত সেগুলো হলো <dt> আর <dd> ।এর গঠন
<dl> <dt><b>Rose</b></dt> <dd>Rose is a pink coloured sweet smelled flower</dd> <dt><b>William Shakespeare</b></dt> <dd>William Shakespeare is one of the greatest writer.he said in his
"Romeo and Juliet", "What's in a name? That which we call
a rose by any other name would smell as sweet". - (Act II, Scene II).</dd> </dt>
![]() | অনুশীলন করুন :- আজকের অলোচিত বিষয় গুলো সম্পর্কে ধারনা পরিস্কার করতে পাশের প্রদত্ত ছবিতে দেওয়া কোডগুলি নোডপ্যাডে লিখুন । লেখা শেষে নথিটিকে যেকোন নাম দিয়ে .html ফরম্যাট দিয়ে সংরক্ষণ করুন ।এবার সংরক্ষিত html নথিটিকে ক্লিক করে ব্রাউজারে খুলুন ।আমি এখানে notepad++ ব্যবহার করছি । |
| বিশ্লেষণ:- উপরের ছবিতে দেওয়া কোড গুলিতে আজকে আলোচিত বিষয়গুলো লক্ষ্য করুন ।
| ![]() ব্রাউজারে আউটপুট |
আজ এ-পর্যন্তই ।ধন্যবাদ ভাল থাকুন নিজে আর ভাল রাখুন অপরকে…।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)















